রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য আবদুল্লাহ আল মাসুদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার রাজশাহীতে তরণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গণধোলাইয়ে নিহত হন মাসুদ। একই ঘটনায় গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন ছাত্রলীগের আরও দুই কর্মী।
'মাসুদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে', বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন বাহাউদ্দিন নাছিম। এছাড়া তিনি দাবি করেন, ২০১৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের ক্যাডাররা পরিকল্পিতভাবে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মাসুদের পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
কৃত্রিম পায়ের সাহায্য নিয়ে পঙ্গু জীবনযাপন করা মাসুদ সংঘবদ্ধভাবে হামলার শিকার হয়েছেন বলে বিবৃতিতে অভযোগ করেন নাসিম।
হামলার পর রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানায় নিয়ে মাসুদকে ফেলে রাখা হয় দাবি করে নাসিম বলেছেন, এ ধরনের পৈশাচিক কর্মকাণ্ড আইনের শাসনের সুস্পষ্ট অবনতি।
হামলার পর নিহত ওই ছাত্রলীগের কর্মীর প্রতি হামলাকারীরা ন্যূনতম সহানুভূতি দেখায়নি। এমনকি তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়নি বলে এই ঘটনাকে চূড়ান্ত মানবাধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা নাসিম। একইসঙ্গে হামলার ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকাণ্ড বলেছেন তিনি।
এ ছাড়া বিবৃতিতে নাসিম উল্লেখ করেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হারিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে, জাতি একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে। তার মতে দেশে যে নির্বিচারে মানুষ হত্যা চলছে, তা উচিত নয়। সেইসঙ্গে, এসব হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
বিবৃতির শেষদিকে দেশি, বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নীরবতাকে দুঃখজনক বলেন তিনি। অতীতের মতো এসব সংগঠন মানবাধিকার রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরব ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন বাহাউদ্দিন নাছিম।
আরও পড়ুন:








