শনিবার

৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩ কার্তিক, ১৪৩৩

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৪২

শেয়ার

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়?
ছবি সংগৃহীত

জাপানের বিগ-বি প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফরে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় প্রকল্পটি নতুন পর্যায়ে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। ঘোষণায় আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা (কানেক্টিভিটি) এবং মুক্ত ও স্বাধীন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ায় প্রকল্পে ভারতের সম্ভাব্য সুবিধা এবং চীনের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে কানেক্টিভিটির নামে ভারতকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীও এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে সরকার বলছে, মাতারবাড়ি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনা করেই বিনিয়োগ প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা থেকে গভীর সমুদ্রবন্দর

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে প্রথমে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয় ২০১৪ সালে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চুক্তির পর ২০১৭ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

সমুদ্রের তীর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার ভেতরে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য কয়লা পরিবহনে একটি নৌ-চ্যানেল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য সমুদ্রের তীর থেকে মাটি কেটে ২৫০ মিটার প্রশস্ত ও ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

২০১৭ সালে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার প্রাক্‌-সমীক্ষায় চ্যানেলটিকে বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবেও ব্যবহারের প্রস্তাব আসে। সমীক্ষায় বলা হয়, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নির্মিত চ্যানেলের দক্ষিণ পাশে বাণিজ্যিক বন্দর স্থাপন করা সম্ভব। একই চ্যানেল দুটি প্রকল্পে ব্যবহার করা গেলে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যয়ও কমবে।

পরে বাংলাদেশ এই প্রস্তাব গ্রহণ করে। বাণিজ্যিক বন্দরের উপযোগী করতে চ্যানেলের গভীরতা ও প্রশস্ততা বাড়ানো হয়। এভাবেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নেওয়া উদ্যোগ ধীরে ধীরে গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে রূপ নেয়। বর্তমানে বন্দরকে কেন্দ্র করে উৎপাদন ও রপ্তানির অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও যুক্ত হয়েছে।

মাতারবাড়িতে বিগ-বির আওতায় কী হচ্ছে

বিগ-বির পূর্ণরূপ বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ ইনিশিয়েটিভ। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে জাপানের এই অর্থনৈতিক বিনিয়োগ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় এক দশক ধরে কাজ করছে জাপান। প্রকল্পের আওতায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। পরিকল্পনায় রয়েছে এলএনজি টার্মিনাল, গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্পাঞ্চল।

তারেক রহমানের জাপান সফরের পর দেওয়া যৌথ ঘোষণায় বিগ-বি উদ্যোগের চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে ছয় বিলিয়ন ডলারের বেশি জাপানি বিনিয়োগ আনা এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি দেওয়া।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, মাতারবাড়িকে বৈশ্বিক রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ জন্য গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে জ্বালানি, লজিস্টিকস, অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি পরিকল্পিত নগরও নির্মাণ করা হবে।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং আফ্রিকার বাজারে পণ্য রপ্তানির কেন্দ্র হিসেবে মাতারবাড়িকে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

বিনিয়োগের সুফল কতটা পাবে বাংলাদেশ

মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, শিল্পকারখানা, সমুদ্রবন্দর ও যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এসব প্রকল্পে জাপান মূলত ঋণ ও বিনিয়োগের অর্থায়ন করবে। তবে ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব বাংলাদেশের।

এ কারণে প্রকল্পের অর্থনৈতিক সুফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, মাতারবাড়ি প্রকল্প থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তিনি জানান, এই অঞ্চলে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের কথা বলা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৮ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার আসতে পারে বেসরকারি খাত থেকে, যার বড় অংশ নিয়ে আসবেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা।

গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, জাপানি বিনিয়োগের সঙ্গে প্রযুক্তিও আসবে। এতে দেশীয় বিনিয়োগকারীরা যৌথ উদ্যোগে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পের সরবরাহব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগের আওতায় কয়েক দশকে প্রায় ২৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন

মাতারবাড়ি প্রকল্পে ভারতের সম্পৃক্ততার বিষয়টি শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছে। ২০১৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে প্রথম বিগ-বি ধারণা সামনে আনেন।

একই বছরের জুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে জাইকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আকিহিকো তানাকা উদ্যোগটির ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেছিলেন, গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্প ও বাণিজ্য গড়ে তোলাই বিগ-বির মূল ভিত্তি। এর সঙ্গে জ্বালানি ও পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন যুক্ত থাকবে।

এই পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটানকে নিয়ে একটি বৃহৎ বাজার গড়ে তোলার ধারণা ছিল। পরবর্তী সময়ে মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সামনে আসে।

২০২৩ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভারত সফরের সময় বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার প্রস্তাব আলোচনায় আসে। ফলে বিগ-বি উদ্যোগের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগের বিষয়টি আগে থেকেই যুক্ত।

২০২৬ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশ সম্মত হয়েছে। যৌথ ঘোষণায় সরাসরি ভারত বা অন্য কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে মাতারবাড়িকে গড়ে তোলার পরিকল্পনায় প্রতিবেশী দেশগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

এ কারণেই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারত করিডর বা ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পাবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সংশয় তৈরি হয়েছে।

গত ৩১ অক্টোবর ঢাকায় এক সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, তা জনগণকে পরিষ্কারভাবে জানানোর দাবি জানান। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া যাবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, জাপানের সঙ্গে যৌথ ঘোষণা ও চুক্তিগুলো বিস্তারিত যাচাই-বাছাই করে পরে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করবেন তাঁরা।

ভারতকে সুবিধা দেওয়ার আগে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রশ্ন

সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী মনে করেন, বিগ-বির অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ভালো। তবে ভারতের মতো কোনো দেশকে যোগাযোগ সুবিধা দেওয়ার আগে দেশের ভেতরে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে একটি সমন্বিত বাজার গড়ে তোলার অর্থনৈতিক যুক্তি রয়েছে। কিন্তু এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে রাজনৈতিক সমঝোতা করতে হবে। তা না হলে প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাঁর মতে, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া অর্থনৈতিক একীভূতকরণের উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া কঠিন হবে।

ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল নিয়ে চীনের অবস্থান কী হবে

বিগ-বি প্রকল্প নিয়ে আলোচনায় ভারতের পাশাপাশি চীনের ভূরাজনৈতিক অবস্থানও গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ ঘোষণায় মুক্ত ও স্বাধীন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের একটি উদ্যোগ। চীন এই কৌশলকে এ অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব সীমিত করার মার্কিন প্রচেষ্টা হিসেবে দেখে। অন্যদিকে জাপান এই কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, বিগ-বি প্রকল্পে জাপান ভারতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এ উদ্যোগে আরও আঞ্চলিক দেশ যুক্ত হতে পারে। তাঁর মতে, জাপানের একটি লক্ষ্য হলো বড় শক্তিগুলোর প্রভাব বলয়ের বাইরে থেকে এ অঞ্চলকে নিজেদের বিনিয়োগের উপযোগী অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত করা।

বাংলাদেশে চীনের প্রভাব কমাতে জাপান বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, এমন ধারণাও রয়েছে। তবে বাংলাদেশের জন্য চীনা বিনিয়োগ ও দেশটির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, ভারতের বড় বাজারকেও গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে চীন ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে কোনো একটি রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে যুক্ত না হয়ে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার কৌশল নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলীও মনে করেন, বাংলাদেশের জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো দরকার। তবে একসঙ্গে এসব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা সহজ কাজ নয়।

ভারসাম্য বজায় রাখার কথা বলছে সরকার

ভারত ও চীনের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের বিনিয়োগের সুযোগ রাখার কথা জানিয়েছে সরকার। অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সব দেশের বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ আগ্রহী।

তিনি জানান, চীন ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং শিল্পাঞ্চলে বিনিয়োগ করছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশেরও বিনিয়োগ রয়েছে।

তিতুমীর বলেন, মাতারবাড়ি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের কাছে বিনিয়োগ প্রস্তাব দিতে পারবে। তবে প্রস্তাবের যৌক্তিকতা এবং বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনা করেই সেগুলো গ্রহণ করা হবে।