সোমবার

২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে মুরাসু, বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর, ২০২৬ ০৯:৪৫

শেয়ার

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে মুরাসু, বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার
ছবি: সংগৃহীত

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। এটি ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় আবহাওয়া সংস্থা (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির পরোক্ষ প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।

আইএমডির সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি গত ছয় ঘণ্টায় উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের চেন্নাই থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে, নেল্লোর থেকে ২৯০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে, মাচিলিপত্তনম থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিশাখাপত্তনম থেকে প্রায় ৪৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে।

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর রাত ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ নভেম্বর ভোর ৪টার মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকায়, ওঙ্গোলের কাছাকাছি এটি আঘাত হানতে পারে।

বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়টির গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও।

ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার এক-দুই জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলাতেও সকালের দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর প্রভাব উত্তরবঙ্গেও পড়তে পারে। সেখানকার একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।