বাংলাদেশের পাঁচটি অগ্রাধিকার খাত— গাড়ি উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতা, রেল ও লজিস্টিকস এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনে জাপানি কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি হওয়া বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৭৩৭৯টি পণ্য জাপানে করমুক্ত সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, স্টিল, অটোমেটিভ পার্টস, ইলেকট্রিক পণ্যের মতো জাপানি পণ্যসমূহ অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে বাংলাদেশে।
বুধবার টোকিওতে জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) হলে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে দেয়া বক্তব্যে এ কথা জানান তারেক রহমান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এখানে জাপানের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের পরিমাণ এখনো ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের নিচে। গত অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রফতানি ছিল ১৩৬ কোটি ডলার। বিপরীতে জাপান থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ২১৬ কোটি ডলারের পণ্য।
জাপানি বিনিয়োগকারীদেরকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, উন্নত অবকাঠামো, শুল্ক ছাড় ও করব্যবস্থায় পূর্বানুমানযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।
এদিকে, ২০২৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানায় পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে টয়োটার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে এ উদ্যোগে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তারেক রহমান।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও বক্তব্যে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখন উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন:







