জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। সেখানে তিনি কপ-৩১ সামনে রেখে নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর উদ্যোগে প্রস্তুত করা জাতীয় অবস্থানপত্র প্রকাশ ও জাতীয় সংলাপে অংশ নেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমনটাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
কপ-৩১-এ বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, সীমিত বাজেট নিয়েও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন সম্মেলনে জ্বালানি রূপান্তরের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের বৈশ্বিক সম্ভাবনা তুলে ধরতে চায় বাংলাদেশ।
শামা ওবায়েদের মতে, বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমনের বিষয়গুলোকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। এ সহায়তা মূলত অনুদান হিসেবে দেয়া উচিত, যাতে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ঋণের বোঝা আরও না বাড়ে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় একটি তহবিল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, ‘সবকিছুতে আমাদের একটা ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বর আনতে হবে, যাতে বৈশ্বিক পরিমণ্ডল ও নেগোসিয়েশন টেবিল থেকে কিছু নিয়ে আসতে পারি।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক কার্যক্রম সমন্বয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় আন্তমন্ত্রণালয় ফোকাল টিম গঠন করেছে। পরিবেশ নিয়ে কাজ করা তরুণদেরও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:







