বৃহস্পতিবার

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ৭ কার্তিক, ১৪৩৩

সৌদি আরব থেকে ফেরা ৯০ শতাংশ নারী কর্মী নির্যাতনের শিকার

বাংলা এডিশন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩২

শেয়ার

সৌদি আরব থেকে ফেরা ৯০ শতাংশ নারী কর্মী নির্যাতনের শিকার
ছবি সংগৃহীত

সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসা নারী কর্মীদের ৯০ শতাংশই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বিদেশফেরত নারী কর্মীদের নিয়ে কাজ করা অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম ওকাপের গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। সৌদি আরবে এক নারীসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর নিয়ে দেশে প্রতিক্রিয়ার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে দেশটিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার বিষয়টি।

বাংলাদেশ থেকে গত দুই বছরে বিভিন্ন দেশে কাজ করতে যাওয়া নারী কর্মীদের বেশির ভাগই গেছেন সৌদি আরবে। এরপরেই রয়েছে জর্ডান। তবে জর্ডানে যাওয়া নারী কর্মীর সংখ্যা সৌদি আরবে যাওয়া নারীর এক-তৃতীয়াংশেরও কম।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এক লাখ ৭২ হাজারের বেশি নারী শ্রমিক বিদেশে গেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার গেছেন সৌদি আরবে।

অন্যদিকে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি নারী কর্মী দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় এক হাজার ফিরেছেন সৌদি আরব থেকে।

বিদেশফেরত নারী কর্মীদের নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বেতন না পাওয়া কিংবা নিয়মিত বেতন না পাওয়া এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়াই অধিকাংশ নারী কর্মীর দেশে ফিরে আসার প্রধান কারণ।

ওকাপের চেয়ারপারসন শাকিরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর দেশের কত নারী বিদেশ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হন, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায় না। গত বছরের জুলাইয়ে দেশে ফিরে আসা নারী কর্মীদের নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাঁদের ৯০ শতাংশই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে দেশে ফিরেছেন।

সৌদি আরবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহের মতে, এক দশক আগে গৃহকর্মী নিয়োগ নিয়ে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে কর্মীদের সুরক্ষার বিষয়টি যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

সুরক্ষায় কী ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি আরব

ভিশন ২০৩০ কর্মসূচির আওতায় সৌদি কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর আগে শ্রম আইনে কিছু সংস্কার আনে। দেশটির পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, এসব সংস্কারের ফলে বিদেশি কর্মীদের চাকরি পরিবর্তন ও চলাচলের স্বাধীনতা বাড়বে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, গৃহকর্মী ও সমপর্যায়ের কর্মীদের নিয়োগসংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধন করেছে সৌদি আরব।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, নিয়োগকর্তারা কর্মীদের চুক্তিতে উল্লেখ নেই, এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য করতে পারবেন না। একইভাবে, তৃতীয় কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করতে বাধ্য করা কিংবা তাঁদের স্বাস্থ্য, শারীরিক নিরাপত্তা ও মর্যাদার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে, এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করাও নিষিদ্ধ।

তবে এসব পদক্ষেপের পরও সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের নির্যাতনের অভিযোগ থামেনি।

সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের পাঠানো শুরুর সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায় না। কয়েকটি রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দুই থেকে আড়াই দশক ধরে বাংলাদেশি নারীরা গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর সৌদি আরবের তৎকালীন মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি এবং বাংলাদেশের তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল একটি সাধারণ শ্রমিক নিয়োগ চুক্তিতে সই করেন।

সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে বলা হয়, ওই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় একটি নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে। এর আওতায় কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়ের অধিকার সুরক্ষা এবং তাঁদের মধ্যকার চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সরকারি সংস্থা বাসসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রথম সৌদি আরবে শ্রমিক পাঠানো শুরু হয়। এরপর থেকে প্রায় ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে কাজ করছেন। সৌদি আরব বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের সবচেয়ে বড় উৎস।

গত দশকের শুরু থেকে বিপুলসংখ্যক নারী কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আসার ঘটনায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে দুই দেশ গৃহকর্মী নিয়োগের বিষয়ে একটি চুক্তি করে।

দুই বছর মেয়াদি ওই চুক্তি অনুযায়ী, সৌদি আরবে যাওয়া নারী গৃহকর্মীদের মাসে ৮০০ সৌদি রিয়াল বেতন পাওয়ার কথা ছিল। চুক্তিতে তাঁদের বিনা খরচে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়।

তবে দেশে ফিরে আসা কর্মীদের বরাত দিয়ে বেসরকারি সংস্থাগুলো বলছে, অনেক নারী কর্মী বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বেতন দাবি করায় তাঁদের নির্যাতন করে দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনাও ঘটেছে।

প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার ঘাটতিতে বাড়ছে সংকট

সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের ওপর নির্যাতনের প্রবণতা কমছে না কেন, সে বিষয়ে রিয়াদ ও জেদ্দায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সূত্রগুলো বলছে, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা ছাড়াই বেশি সংখ্যক নারীকে পাঠানোর কারণে সংকট বেড়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ বলেন, গৃহকর্মী নিয়োগসংক্রান্ত চুক্তিতে কর্মীদের সুবিধা ও সুরক্ষার বিষয়গুলো যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

তিনি বলেন, চুক্তিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রাখা হয়নি। একই সময়ে এজেন্টরা প্রত্যন্ত গ্রামের নারীদের কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই সৌদি আরবে পাঠাতে শুরু করেন। এতে সংকট আরও জটিল হয় এবং গ্রামের সহজ-সরল অনেক নারী সেখানে গিয়ে বিপদের মুখে পড়েন। তাঁদের সহায়তায় বাংলাদেশ দূতাবাস সেফ হোম চালু করেছিল। একপর্যায়ে সেখানে অনেক বাংলাদেশি নারী আশ্রয় নিতে শুরু করেন।

নির্যাতনের অভিযোগে ২০১১ সালের আগস্টে ইন্দোনেশিয়া নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করে দিলে সৌদি আরব ফিলিপিন্স, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের ওপর নির্ভরতা বাড়ায়।

নেপাল ও শ্রীলঙ্কা মাসে এক হাজার ৭০০ রিয়ালের কম বেতনে শ্রমিক পাঠাতে রাজি হয়নি। অন্যদিকে, ফিলিপিন্সের নারী কর্মীদের নিয়োগকর্তার বাসার বাইরে সৌদি প্রতিষ্ঠানের ডরমিটরিতে রাখার বিষয়ে দেশটির সঙ্গে চুক্তি হয়।

এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের চাপে বাংলাদেশ মাসে সাড়ে আটশ রিয়াল বেতনে গৃহকর্মী নিয়োগের চুক্তিতে রাজি হয়।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ নারী কর্মীদের নির্যাতনের বিষয়টি সামনে আনলে ২০১৯ সালের আগস্টে তৎকালীন সৌদি শ্রম ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশি কর্মীরা কেন সৌদি নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন এবং কেন তাঁরা দ্রুত দেশে ফিরতে চাইছেন, তা নিয়ে সৌদি পক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করে।

সে সময় সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন গোলাম মসিহ। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ ও ভাষাগত দক্ষতার অভাব থেকেই সমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছিল বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানাত।

মসিহ বলেন, সৌদি আরবে যাওয়ার আগে কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানানো এবং সেখানকার বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত আধুনিক উপকরণ পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এজেন্সিগুলোর কারণে বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি।

ফিলিপিন্সের কর্মীরা যেভাবে ডরমিটরিতে থেকে কাজ করেন, বাংলাদেশি নারী কর্মীদের ক্ষেত্রেও সে ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে নানা কারণে তা বাস্তবায়ন করা যায়নি।

ফিলিপিন্সের নারী কর্মীদের নির্যাতন নিয়েও প্রতিবেদন

চলতি বছরের ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সৌদি আরবে ফিলিপিন্সের নারী কর্মীদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে অতিরিক্ত কাজ করানো, শোষণ, মর্যাদাহানিকর আচরণ এবং কিছু ক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।

একবার যখন তাঁদের বাড়িতে ঢোকানো হয়, এরপর তাঁরা আর মানুষ থাকেন না—এমন বক্তব্যকে শিরোনাম করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ১৯ জন ভুক্তভোগী নারীর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সংস্থাটি। তাঁদের অধিকাংশই ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে দেশে ফিরে গেছেন।

এর আগে ১৯৯৮ সালে নেপাল সৌদি আরবে নারী কর্মী পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। ওই বছর কুয়েতে নির্যাতনের শিকার এক নেপালি গৃহকর্মীর আত্মহত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

এরপর নেপাল সরকার সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে নারীদের যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ২০২২ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও সৌদি আরবে নেপালি গৃহকর্মী পাঠানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়নি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে নেপাল ও সৌদি আরবের মধ্যে সাধারণ কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় একটি চুক্তি সই হয়। তবে নারী গৃহকর্মীদের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সমঝোতা হয়নি।

এরপরও বিভিন্ন পথে নেপালি নারীদের গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে যাওয়া অব্যাহত রয়েছে। ফলে দেশটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেপালি নারী কর্মী রয়েছেন।

অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার শ্রম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গত ২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, দেশটির গৃহকর্মীদের জন্য উচ্চ বেতন, উন্নত জীবনযাত্রার মান এবং শ্রম অধিকার নিশ্চিত করার সম্ভাবনা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে শ্রীলঙ্কা সরকার। তবে দেশটি নারীদের সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে পাঠাতে আগ্রহী নয় বলে ওই তথ্যে উল্লেখ করা হয়।

নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তের কথা সৌদি সরকারের

বাংলাদেশি দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে ফিলিপিন্সের নারী কর্মীদের নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে সৌদি সরকারের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

সৌদি সরকার অ্যামনেস্টিকে জানিয়েছে, বিদ্যমান বিধিবিধানের আওতায় গৃহকর্মীরা সুরক্ষিত। নির্যাতনের যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত করা হয়।

গৃহকর্মীদের সুরক্ষা জোরদার ও বিধিবিধানের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে মানসম্মত কর্মচুক্তি, মজুরি সুরক্ষা ব্যবস্থা, বিমা কর্মসূচি, অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা এবং নির্যাতন বা বিধিবিধান লঙ্ঘনের ঘটনায় নিয়োগকর্তা পরিবর্তনের সুযোগ।

তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে পাঠানো অনুরোধের জবাব দেয়নি সৌদি সরকার। গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় নেওয়া সংস্কার ও অন্যান্য পদক্ষেপ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং সেগুলো কতটা কার্যকর, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রশ্নেরও উত্তর দেয়নি দেশটি। সূত্র: বিবিসি বাংলা