রবিবার

১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ৩ কার্তিক, ১৪৩৩

সাত খুন, মেজর সিনহা ও আবরার হত্যা মামলার আপিল শুনানিতে বিশেষ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২১

শেয়ার

সাত খুন, মেজর সিনহা ও আবরার হত্যা মামলার আপিল শুনানিতে বিশেষ উদ্যোগ
ছবি সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি শেষে আদালত খুললে মামলাগুলোর চূড়ান্ত শুনানি দ্রুত শুরু করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দেশের অত্যন্ত আলোচিত ও সংবেদনশীল এই তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। অবকাশকালীন ছুটি শেষে আদালত খোলার পর আপিলগুলো দ্রুত শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

২০১৪ সালের এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত আলোচিত সাত খুন মামলায় ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে ১৫ জনের সর্বোচ্চ সাজা বহাল রাখা হয়। মামলাটির চূড়ান্ত আপিল নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে মামলাটি।

মেজর সিনহা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

২০২০ সালের ৩১ জুলাই কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ২ জুন হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায় দেন। রায়ে টেকনাফ থানার তৎকালীন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। মামলাটির রায়ও বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

আবরার হত্যা মামলায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

২০১৯ সালের অক্টোবরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তিও এখনো বাকি রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ ছুটি শেষে আপিল বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই তিনটি মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।