শনিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৪৩৬ (কক্সবাজার–ঢাকা) উড়োজাহাজটির নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে সম্প্রসারণে সমস্যা দেখা দেয়ায় জরুরি অবতরণের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে বিকল্প পদ্ধতিতে নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার সম্প্রসারণের মাধ্যমে উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্যাশ-৮ (DH-8) মডেলের উড়োজাহাজটি ৭৮ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু সদস্যসহ মোট ৮২ জন আরোহী নিয়ে ১৩৩৫ ঘটিকায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। উড়োজাহাজটির নির্ধারিত অবতরণের সময় ছিল ১৪৩০ ঘটিকা। উড্ডয়নের পর উড়োজাহাজটির ২ নম্বর হাইড্রোলিক সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দিলে নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে সম্প্রসারণে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে পাইলট ১৪২০ ঘটিকায় এরিয়া কন্ট্রোলের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতির কথা জানান। তখন উড়োজাহাজটি আনুমানিক ১৮,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থান করছিল। পরবর্তীতে এরিয়া কন্ট্রোল ঢাকা টাওয়ারকে অবহিত করে।
জরুরি বার্তা পাওয়ার পরপরই ঢাকা টাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিস ও রেসকিউ টিমকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়। পাশাপাশি, মার্শালিংয়ের প্রস্তুতিসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও যোগাযোগ নিশ্চিত করা হয়।
পাইলটের কার্যকর পদক্ষেপে বিকল্প পদ্ধতিতে নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয়। এর ফলে উড়োজাহাজটি ১৫০৯ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। অবতরণের পর যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা), হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকসহ বিমানবন্দর ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
আরও পড়ুন:







