রবিবার

৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে এজলাসে হট্টগোল, বাইরে হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২১

আপডেট: ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২২

শেয়ার

আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে এজলাসে হট্টগোল, বাইরে হাতাহাতি
ছবি সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালতকক্ষে বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। পরে আদালতের বাইরে সিএমএম কোর্টের সামনের রাস্তায়ও দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও হট্টগোল হয়।

রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে কঠোর পুলিশি পাহারায় আখতারুজ্জামানকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। রিমান্ড শেষে তার জামিন শুনানির সময় বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এজলাসের ভেতরে বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।

এ সময় বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান। কয়েক মিনিট ধাক্কাধাক্কির পর রাষ্ট্রপক্ষে পিপি ওমর ফারুক ফারুকী এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সবাইকে অনুরোধ করেন।

বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে বিচারক আবার এজলাসে উঠলে আখতারুজ্জামান বলেন, তাঁর পক্ষে ১০ জন আইনজীবী শুনানি করবেন। এ জন্য তিনি অনুমতি চান।

শুনানি শেষে উভয়পক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি করে আদালত আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে আদালতে জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মধ্যে যে ধাক্কাধাক্কি ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, তা পরে আদালতের নিচেও ছড়িয়ে পড়ে। সিএমএম কোর্টের সামনের রাস্তায় বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে কয়েক মিনিট হট্টগোল ও ব্যাপক ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

গত ১ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ও ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা হুমকি-ধমকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।