বুধবার

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

গোপন তদন্তের আওতায় পুলিশের ৬ হাজার ৫৩৯ পরিদর্শক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৮:৪২

শেয়ার

গোপন তদন্তের আওতায় পুলিশের ৬ হাজার ৫৩৯ পরিদর্শক
ছবি সংগৃহীত

পুলিশের ৬ হাজার ৫৩৯ পরিদর্শকের বিষয়ে গোপন তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) সাম্প্রতিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে পুলিশের হাইকমান্ড বিব্রত হওয়ার পর অধিকতর বিশ্বাসযোগ্য ও আস্থাভাজন ওসি বাছাইয়ের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত বিশেষ চিঠি পুলিশের সব ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। গুগল ফরমের মাধ্যমে পরিদর্শকদের ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, বর্তমান ও অতীত কর্মস্থলের বিবরণ এবং অতীতে কোনো দণ্ড পেয়ে থাকলে তার বিবরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-২ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশে পরিদর্শকের পদ রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৭টি। বর্তমানে কর্মরত ৬ হাজার ৫৩৯ জন। তাদের মধ্যে ইন্সপেক্টর নিরস্ত্র পদে ১২৮ নারীসহ ৪ হাজার ৭১৯ জন, ইন্সপেক্টর টিটি পদে ৯৮৪ জন এবং ইন্সপেক্টর সশস্ত্র পদে ৮৩৬ জন কর্মরত।

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় কর্মরত কয়েকজন ওসির বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে পুলিশের হাইকমান্ড বিব্রত হয়েছে। এ পরিস্থিতির অবসানে দক্ষ ও বিতর্কমুক্ত পরিদর্শকদের ওসি, পরিদর্শক তদন্ত ও পরিদর্শক অপারেশন পদে পদায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

পরিদর্শকদের পুলিশের আয়না হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা, তদন্ত, তদন্ত তদারকি, উদ্ধার, দাঙ্গা দমন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কাজে তারা নেতৃত্ব দেন। ফলে তাদের নৈতিক স্খলনসহ যেকোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রভাব পুরো বাহিনীর ওপর পড়ে এবং ভাবমূর্তি সংকট তৈরি হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিভিন্ন থানার ওসিদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অধিকতর দক্ষ ও বিতর্কমুক্ত পরিদর্শকদের ওসি পদে পদায়নের প্রস্তাব দেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক যেসব ঘটনায় ওসিদের প্রত্যাহার

সম্প্রতি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রাকিবুল হাসানের বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠদের প্রতি আস্থা-সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাকে প্রত্যাহার করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়। ওই অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, পুলিশের বর্তমান সক্ষমতা ও সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে তাকে বিভিন্ন বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়।

মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হামলায় অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগসাজশ, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ ও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠে।

গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরও গুলশান থানায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল প্রতিরোধে ব্যর্থতা এবং মিছিলকারীদের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শনের অভিযোগে গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের এক নেতার বাড়িতে ভূরিভোজে অংশ নেওয়ায় নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি আবদুর রহিম সরকারকেও প্রত্যাহার করা হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁও থানার ওসি ক্যশৈনু এবং পল্টন মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খানকে প্রত্যাহার করা হয়। জুনে ফরিদপুরের মধুখালীতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে প্রান্ত নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ডিবি ফরিদপুর সদর জোনের ওসি সৈয়দ আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

মার্চে মগবাজারে নবীন ফ্যাশনে হামলার ঘটনায় হাতিরঝিল থানা পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগে ওসি গোলাম মর্তুজাকে প্রত্যাহার করা হয়। এসব ঘটনায় পুলিশের হাইকমান্ড বিব্রত হওয়ায় ওসি পদকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে গোপন তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে সৎ, বিশ্বাসযোগ্য ও আস্থাভাজন পরিদর্শক খোঁজা হচ্ছে।

সব পরিদর্শকের তথ্য চাওয়া ও গোপন তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি প্রশাসন আওলাদ হোসেন জানান, বিষয়টি অফিসিয়াল গোপনীয় হওয়ায় তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না।

ওসি পদায়নে ফিটলিস্ট নীতিমালা

পুলিশের পরিদর্শকদের ওসি পদে পদায়নের জন্য ফিটলিস্ট নীতিমালা রয়েছে। তবে এ নীতিমালা যথাযথভাবে মানা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। ওসি পদায়নে তদবির ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগও সামনে আসে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, থানায় ওসি পদায়নের লক্ষ্যে পরিদর্শকদের মধ্য থেকে ফিটলিস্ট তৈরির জন্য অতিরিক্ত আইজিপি এইচআরএমকে প্রধান করে সাত সদস্যের সিলেকশন কমিটি রয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি প্রশাসন, ডিআইজি এইচআরএম, অতিরিক্ত ডিআইজি অপারেশন, এআইজি আরএনসিপি-২, এআইজি পিআইও এবং এআইজি পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-২।

পুলিশের এক আদেশে পুলিশ পলিসি ফোরামের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী থানার ওসি পদে উপযুক্ত কর্মকর্তাদের বাছাই করে পরিদর্শকদের ফিটলিস্ট তৈরির কথা বলা হয়। পরে পুলিশ সদর দপ্তর ওসি পদায়নের ক্ষেত্রে ২২ দফা নীতিমালা জারি করে। নীতিমালা অনুযায়ী, সিলেকশন কমিটি নিরস্ত্র পরিদর্শকদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ফিটলিস্ট তৈরি করবে।

আর্থিক অনিয়ম বা নৈতিক স্খলনের কারণে কোনো নিরস্ত্র পরিদর্শক পুরো চাকরিজীবনে একটি গুরুদণ্ড পেলেও তিনি ওসি পদে পদায়নের অযোগ্য বিবেচিত হবেন। কোনো কর্মকর্তা একবার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে তাকে একই থানায় দ্বিতীয়বার ওসি করা যাবে না।

ওসি হিসেবে ফিটলিস্টভুক্ত হওয়ার জন্য নিরস্ত্র পরিদর্শক পদে ন্যূনতম তিন বছর চাকরি করতে হবে। নিজের এবং স্ত্রী বা স্বামীর জেলা বাদে অন্য যেকোনো জেলায় তাকে ওসি হিসেবে পদায়ন করা যাবে। ৫৪ বছরের বেশি বয়সী কোনো পরিদর্শককে ওসি পদে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। পদায়নের ক্ষেত্রে এইচএসসি বা সমমান এবং তদূর্ধ্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরিদর্শকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

পরিদর্শক পদে দুই বা ততোধিক দণ্ড এবং পুরো চাকরিজীবনে তিন বা ততোধিক গুরুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হিসেবে পদায়নের অযোগ্য হবেন। ওসি হিসেবে পদায়নের আগের এক বছরের মধ্যে লঘুদণ্ড বা দুই বছরের মধ্যে গুরুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও থানায় পদায়ন করা যাবে না।

কোনো থানায় ফিটলিস্টভুক্ত একাধিক পরিদর্শক থাকলে প্রযোজ্য শর্ত পূরণসাপেক্ষে জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তাকে ওসি হিসেবে পদায়ন করার কথা রয়েছে।

পরিদর্শক তদন্ত বা অপারেশনস পদে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাকে ধারাবাহিকভাবে একই থানার ওসি করা যাবে না। তবে অন্য কোনো থানা বা ইউনিটে ন্যূনতম ছয় মাস চাকরি করার পর তাকে ওসি পদে পদায়ন করা যাবে। ওসি হিসেবে দুই বছর চাকরির পর অন্যত্র বদলি করা যাবে। একই থানায় ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ তিন বছর চাকরির সুযোগ থাকবে।

কোনো থানার ওসিকে ১৮ মাসের আগে অন্যত্র বদলির প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ডিআইজি বা পুলিশ কমিশনার নিজ অধিক্ষেত্রের মধ্যে বদলি, প্রত্যাহার বা সংযুক্ত করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদর দপ্তরের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না।

ফিটলিস্ট নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা সর্বোচ্চ চারটি থানায় বা ছয় বছর ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে, যেটি আগে ঘটবে, এরপর আর ওসি পদে পদায়নের জন্য বিবেচিত হবেন না। একটি থানায় কর্মকাল গণনার জন্য ন্যূনতম ছয় মাস ধারাবাহিকভাবে চাকরি করতে হবে। তবে অভিযোগ বা বিচ্যুতির প্রমাণসহ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ছয় মাসের আগে প্রত্যাহার করা হলে ওই থানায় কর্মরত সময়কালও গণনায় ধরা হবে।

সবশেষ কর্মস্থল বা ইউনিটে কোনো কর্মকর্তাকে ওসি হিসেবে পদায়ন বা বদলি করা যাবে না। ওসি পদায়নের লক্ষ্যে ফিটলিস্টভুক্ত হওয়ার পর পুলিশ স্টেশন ম্যানেজমেন্ট কোর্স বা পিএসএমসি সম্পন্ন করতে হবে।

কোনো কর্মকর্তাকে ওসি হিসেবে পদায়নের ক্ষেত্রে তার প্রশিক্ষণের ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে। পিইটিতে উত্তীর্ণ হওয়ার শর্ত না থাকলেও ফিটলিস্ট তৈরির সময় কর্মকর্তাদের শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় রাখতে হবে। ওসি পদায়নের ক্ষেত্রে বিগত পাঁচ বছরের এসিআরে গড়ে ন্যূনতম ৮০ নম্বর থাকতে হবে। বিগত তিন বছরের এসিআরে কোনো বিরূপ মন্তব্য থাকলে তাকে ওসি পদে পদায়নের অযোগ্য বিবেচনা করা হবে। ফিটলিস্টভুক্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে ওসি হিসেবে পদায়নের কথা রয়েছে।

ওসি হিসেবে পদায়নের জন্য পরিদর্শক পদে গ্রুপ-৩-এর যেকোনো ইউনিট অথবা গ্রুপ-৪-এর ৬ থেকে ১০ নম্বর ক্রমিকে বর্ণিত ইউনিটে ন্যূনতম এক বছর চাকরি করতে হবে। গ্রুপ-১-এর আওতায় রয়েছে ডিএমপি, সিএমপি, কেএমপি, আরএমপি, বিএমপি, এসএমপি, জিএমপি ও আরপিএমপি। গ্রুপ-২-এর আওতায় রয়েছে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও সিলেট রেঞ্জ।

গ্রুপ-৩-এর আওতায় রয়েছে বিপিএ, পিএসসি, পিটিসি টাঙ্গাইল, পিটিসি খুলনা, পিটিসি নোয়াখালী, পিটিসি রংপুর, টিডিএস, এএসটিসি, আইএসটি, প্রশিক্ষণ, এপিবিএন, এসআরবি ও এসপিবিএন। গ্রুপ-৪-এর ৬ থেকে ১০ নম্বরে রয়েছে আইপি, এমআরটি, রেলওয়ে পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও নৌপুলিশ। ফিটলিস্টভুক্ত পরিদর্শককে গ্রুপ-১ বা ২-এর যেকোনো একটির ইউনিটের সর্বোচ্চ তিনটি থানায় ওসি হিসেবে পদায়ন করা যাবে।

গোপন তদন্তের চেয়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার তাগিদ

পরিদর্শকদের তথ্য সংগ্রহ বা গোপন তদন্ত কতটা কার্যকর হবে জানতে চাইলে সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, পরিদর্শকদের বিষয়ে গোপন তদন্ত বা তথ্য সংগ্রহ করে আমূল পরিবর্তন আনা যাবে না। পুলিশের সঠিক ব্যবস্থাপনাই মূল বিষয় বলে তিনি মনে করেন।

তিনি জানান, পুলিশের পলিসি গ্রুপের সভা করে ওসি পদায়নের লক্ষ্যে ফিটলিস্ট কমিটি ও নীতিমালা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি কার্যকর করা যায়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও ফিটলিস্ট নীতিমালা না মেনে লটারিতে ওসি পদায়ন শুরু হয়েছিল বলে তিনি জানান। এতে অদক্ষ পরিদর্শকরাও ওসি পদে পদায়নের সুযোগ পেয়েছেন বলে তার বক্তব্য।

বাহারুল আলমের মতে, ফিটলিস্ট নীতিমালা অনুসরণ করলে কিছুটা ভালো ফল পাওয়া যেত। সেটি না করে গোপন তদন্ত, তদবির বা অন্য কোনোভাবে ওসি পদায়ন হলে বিতর্ক তৈরি হতে থাকবে। ওসি প্রত্যাহার করা হলেও এতে মৌলিক পরিবর্তন আসবে না বলে তিনি মনে করেন।

সাবেক আইজিপি নূরুল হুদা বলেন, পুলিশে ছয় হাজারের বেশি পরিদর্শক রয়েছেন। এত বিপুলসংখ্যক পরিদর্শকের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ বা তাদের বিষয়ে গোপন তদন্ত করে খুব একটা ফল পাওয়া যাবে না। তার মতে, সীমিতসংখ্যক বা নির্দিষ্টসংখ্যক পরিদর্শকের বিষয়ে ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে ওসি ফিটলিস্ট তৈরি করা এবং সে অনুযায়ী পদায়ন করা হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।