রাজধানীর আদাবর থানাধীন শ্যামলী হাউজিং এলাকায় একটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টার ঘটনায় আরও চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে আদাবর থানা পুলিশ। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-১। রাজিব হাওলাদার ২। সাগর ওরফে ছোট বিগার ৩। শাকিব ও ৪। রাশেদ। এর আগে এ ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) কর্তৃক আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আদাবর থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ জানতে পারে, বাড়ি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত কয়েকজন আসামি নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজার সংলগ্ন মেলার মাঠের পেছনে খালপাড় এলাকায় অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে ৭/৮ জনকে দেখতে পায়।
পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার চেষ্টা করলে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ শটগান দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে রাজিব হাওলাদার ও সাগর ওরফে ছোট বিগার পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে স্টিলের ধারালো চাপাতি, সামুরাই ও কিরিস উদ্ধার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ রাজিব হাওলাদার ও সাগর ওরফে ছোট বিগারকে চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আদাবর থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত রাজিব হাওলাদার আলোচিত মোহাম্মদপুরের বাবু হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি। সাগর ওরফে ছোট বিগারের বিরুদ্ধে আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় মোট আটটি মামলা রয়েছে। এছাড়া শাকিব ও রাশেদের বিরুদ্ধে পাঁচটি করে মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ভোরে খুরশিদ আলম খানের নেতৃত্বে ১৫–২০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শ্যামলী হাউজিংয়ের ৪১ ও ৪২ নম্বর প্লটে হামলা চালায়। এ সময় তারা ভবনে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা ও ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় আদাবর থানায় মামলা রুজু করা হয়।
আরও পড়ুন:







