রবিবার

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
চাঁদাবাজি নাকি জমিজমার বিরোধ সালমানের স্টুডিওতে হামলার নেপথ্যে কী? ঢাকার খালগুলো দখলমুক্ত ও সচল করে জলাবদ্ধতা কমানোর প্রতিশ্রুতি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের গাজীপুরের টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা ও ছেলে মৃত্যু; চালক আটক এআই ছবিতে নারী সেনা সেজে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ তাড়াশে মাজারসংলগ্ন মসজিদ থেকে ঐতিহাসিক পাথর চুরির অভিযোগ জানুয়ারিতে সংসদে উঠবে সংবিধান সংশোধন বিল; পাস হলেই হবে গণভোট বুক ফাটিয়ে বলব ওরা রাজাকার, বাংলার রাজনীতিতে ওদের স্থান নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 'যে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি, তাতে জিয়াউলের সর্বোচ্চ শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে'

'যে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি, তাতে জিয়াউলের সর্বোচ্চ শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে'

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৪

শেয়ার

'যে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি, তাতে জিয়াউলের সর্বোচ্চ শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে'
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেছেন, শতাধিক মানুষকে হত্যার ঘটনায় বরখাস্ত জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছে, তাতে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে যে ১০৪ জনকে হত্যা ও গুমের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা তিনটি চার্জের বিভিন্ন কাউন্টে রয়েছে। মামলার সর্বশেষ ম্যাটেরিয়াল উইটনেস বা ত্রয়োদশ সাক্ষী মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানীর জেরা শেষ হয়েছে। এই মামলায় আমরা যে দালিলিক, প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষী উপস্থাপন করেছি, তাতে আমাদের মনে হয়েছে, আমরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পেরেছি। এই সাক্ষ্যপ্রমাণের মাধ্যমে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে একটি কথা বলে নিই, শাস্তি দেয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই। যখন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে, তখন আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করব।

তিনি আরও বলেন, এই মামলার প্রত্যেকটি চার্জে—শুধুমাত্র আলকাস মল্লিক, যিনি একজন মাঝি ছিলেন, তার অপহরণের ঘটনা ছাড়া—বাকি প্রত্যেকটি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আমরা উপস্থাপন করেছি। এই সাক্ষীরা আর কেউ নন, তার বাহিনীর সদস্য, তার অধীনস্থ এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আমরা মনে করি, ১০৪ জন ভিকটিম যেন ন্যায়বিচার পান, সে জন্য রাষ্ট্র আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য ও সহযোগিতা করেছে। রাষ্ট্রের সহযোগিতা এবং সাক্ষীদের সহায়তায় আমরা আমাদের মামলা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছি।

জিয়াউল আহসানের মামলা কবে শেষ হবে—জানতে চাইলে প্রসিকিউটর মিজানুল বলেন, কবে নাগাদ মামলা শেষ হবে এবং কবে নাগাদ রায় (জাজমেন্ট) হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব ট্রাইব্যুনালের। আমি যদি বলে দিই কত তারিখে রায় হবে, তা সরাসরি আদালত অবমাননা হবে। কারণ, এই মামলায় বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়নি। তবে আমরা আশা করছি, স্বাভাবিক গতিতে চললে অক্টোবরের মধ্যে উভয়পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।



আরও পড়ুন: