ফ্যামিলি কার্ড মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনেক বড় একটা প্রকল্প। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের এই প্রকল্পে যেনো কেউ অনিয়ম করতে না পারে, আপনারা সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
সারাদেশে যখন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরুর সময় তখন এই কলমাকান্দাকে রেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী কলমাকান্দাকে পছন্দ করলেও যারা তালিকা করেছিলেন তারা বিষয়টি পছন্দ করেননি। এ কারণেই তারা তালিকাটি সঠিক ভাবে করেননি। তাদের সততার অভাবেই সঠিক ভাবে তালিকা করেননি। যার ঘর নেই! ছাপড়া ঘরে থাকেন তাদের দিয়ে আগে শুরু করবেন! তথ্য সংগ্রহকারীরা যার ঘর আছে বসার সুযোগ আছে তার বাড়িতে গিয়ে চা নাস্তা খেয়ে তার নামটাই আগে লিখেছিলেন।
দয়া করে আপনারা কেউ স্বজনপ্রীতি করবেন না। এটা করলে চৌদ্দ শিকের ভেতরে ঢুকাবো। যদি কোনও অনিয়ম করেন তারা কেউ রেহাই পাবেন না! বিগত দিনে আমাদের দলের অর্থ্যাৎ বিএনপির কেউ সে সময় পায়নি। কারও নাম থাকলেও টাকা নিয়েছেন অন্যারা। কেউ চাঁদাবাজি করলে দয়া করে দল থেকে চলে যান। কাউকে রেহাই দেয়া হবে না। সুতরাং ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কৃষক কার্ড নিয়ে কেউ চাঁদাবাজি করবেন না! কেউ এটা করলে চাঁদাবাজি করলে ডাবল মামলা দেয়া হবে। যদি কেউ অনিয়ম করে ইউএনও সাহেব জানাবেন, আমাকে জানাবেন সরাসরি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যুগ যুগ ধরে জানি তাদের মধ্যে অপরাধ খুব কম। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বারবার অনুরোধ করি। তাদের জন্য কিছু করতে। তাদের পানীয় জলের সমস্যা, পথঘাট, পড়াশোনা সব কিছুতেই সংকট রয়েছে। আমি চেষ্টা করছি তাদের জন্য কিছু করতে। তাই তাদের তালিকাতে যেনো কেউ অনিয়ম না করে। যদি অনিয়ম করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নেব। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য আমার যে মহৎ উদ্দেশ্য আছে তাতে যেনো কেউ অনিয়ম না করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানাসহ দলীয় নেতা কর্মী সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী,বজ্রপাতে নিহতদের পরিবার সহ শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন:







