বুধবার

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৮ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাদের ‘সন্ত্রাসী’আখ্যা দিয়েছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: ইরানের প্রেসিডেন্ট আওয়ামী নেতাদের লাগামহীন বক্তব্য এখন ট্রলের উপাদান হজের টাকা জমা নিতে আগামী শুক্র-শনিবার সারাদেশে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎসহ বিকল্প ব্যবস্থায় এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ইউপি নির্বাচনে জামানত-ভোটের ব্যয় বাড়লো নির্বাচন কমিশন গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত তিন, ট্রাকচালক আটক কুয়াকাটায় ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা, যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড পাচারের ঝুঁকিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

সবজিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৯

শেয়ার

সবজিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক
ছবি সংগৃহীত

দেশে সবজিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ এবং ফলে ৪ শতাংশ বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। খেজুরে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৫ শতাংশ এবং শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক পাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান কীটতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত। কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)।

বাড়ছে কীটনাশকের ব্যবহার

ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, বর্তমানে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। ফলে পোকামাকড় রাসায়নিক কীটনাশক প্রতিরোধী হয়ে যাচ্ছে। এ জন্য রাসায়নিক কীটনাশক বেশি লাগছে। আবার অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে উপকারী পোকামাকড় মারা যাওয়ায় ক্ষতিকর পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।

কীটতত্ত্ববিদ নির্মল কুমার দত্ত জানান, দেশে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাসায়নিক কীটনাশকের বদলে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

ড. নির্মল কুমার দত্ত আরও জানান, দেশে প্রায় আট হাজার কীটনাশক অনুমোদিত। যাচাই করে এর মধ্যে ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

নকল বালাইনাশক নিয়েও উদ্বেগ

সিটি ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, পোকামাকড় মারতে বালাইনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে নকল বালাইনাশকের কারণে পোকামাকড় না মরে উল্টো তাদের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান বলেন, জৈব বালাইনাশক মূলত প্রকৃতিতেই রয়েছে। এ জন্য উপকারী পোকামাকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিএআরসির পরিচালক ড. মো. মাহফুজ আলম ও প্রধান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আল মোবাচ্ছের হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. নিজামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাইফুল মাসুমসহ কৃষি বিটের সাংবাদিকেরা।