মিডিয়া আগে লীগের দালালি করতো এখন বিএনপির: হাসিনা। ভারত ও লীগের দালাল ছিলো মিডিয়াগুলো; কলকাতার এক্টিভিস্টকে হাসিনা। মিডিয়া নিয়ে হাসিনার ক্ষোভ। চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকেই দেশে ফেরার দাবি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার।
জুলাই ২৪-এর ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, গণমাধ্যমের একপেশে ভূমিকা ও ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ক্ষোভের মুখে পড়েছিল বেশ কয়েকটি শীর্ষ টেলিভিশন চ্যানেল।
পরবর্তীতে একটি আলোচনায় সময় টিভির পরিচালনা পর্ষদের এক কর্মকর্তার বক্তব্যেও বিগত সময়ে ক্ষমতাসীনদের তোষণ ও চাপের বিষয় উঠে আসে।
মিডিয়ার চরিত্র নিয়ে হাসিনার বিস্ফোরক মন্তব্য
তবে এবার দেশের গণমাধ্যমের চরিত্র নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোণ থেকে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন খোদ ভারতে অবস্থানরত সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলকাতার এক অ্যাক্টিভিস্টের সঙ্গে সম্প্রতি ফাঁস হওয়া ফোনালাপে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, যেসব সংবাদমাধ্যম এতদিন আওয়ামী লীগ ও ভারতের দালালি করেছে, তারা এখন রাতারাতি অবস্থান বদলে বিএনপি ও তারেক রহমানকে বেছে নিয়েছে।
ফোনালাপে কয়েকটি গণ্যমাধমের সংবাদের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তারেক রহমানের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে আওয়ামী লীগের বৈঠক বাতিল হয়েছে বলে প্রচারিত খবরকে সম্পূর্ণ মনগড়া বলে উড়িয়ে দেন সাবেক এই স্বৈরাচার।
জুম মিটিংয়ে দল পরিচালনা ও দেশে ফেরার ঘোষণা
হাসিনা জানান, গোপনীয়তা বজায় রাখতে সশরীরে না করে নিয়মিত জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে দল পরিচালনা করছেন তারা।
কথোপকথনে ঢাকার এক ওসির অডিও ফাঁসের সূত্রে বিরোধী শিবির কিংবা তাঁর দ্রুত প্রত্যাবর্তনের গুঞ্জন নিয়ে কথা উঠলে তা স্পষ্ট নাকচ করেন শেখ হাসিনা। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কোনো আগাম মুহূর্তে নয়, বরং চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকেই দেশে ফিরবেন তিনি।
একদিকে আন্দোলনে জনতার তোপ, অন্যদিকে হাসিনার এমন তোষণ-অভিযোগ, দুই বিপরীত মেরুর মুখোমুখি দাবিতে দেশের মূলধারার সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা আবারও বড় ধরনের কাঠগড়ায় দাঁড়ালো।
আরও পড়ুন:







