বিতর্কের চর্চা জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, বিতর্ক যুক্তি দিয়ে কথা বলা ও অন্যের মতামত শোনার অভ্যাস তৈরি করে। এতে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহনশীলতা বাড়ে ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ শক্তিশালী হয়।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ৫ম হাজী মুহম্মদ মুহসীন স্মারক জাতীয় আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কায়সার কামাল বলেন, ‘তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তরুণদের যুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিতর্ক যুক্তি দিয়ে কথা বলা ও অন্যের মতামত শোনার অভ্যাস তৈরি করে। এই চর্চা জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়েও ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। এতে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহনশীলতা বাড়বে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ শক্তিশালী হবে।’
দেশের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘তরুণদের মধ্যে যুক্তিবোধ, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের গুণ তৈরি করতে হবে। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক ও যুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।’
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বাড়ায়। শুধু ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্কসহ বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে যুক্ত হতে হবে।’
প্রতিযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল চ্যাম্পিয়ন ও অমর একুশে হল রানার্সআপ হয়েছে। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাব আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের ২৪টি বিতর্ক দলের ৭২ জন বিতার্কিক অংশ নেন।
আরও পড়ুন:







