বৃহস্পতিবার

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইউরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তর গন্তব্য জার্মানি: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৪

শেয়ার

ইউরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তর গন্তব্য জার্মানি: স্পিকার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। দেশ স্বাধীনের সূচনালগ্ন থেকে জার্মান সরকার বাংলাদেশকে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে। তিনি বলেন, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তর গন্তব্য হলো জার্মানি।

বৃহস্পতিবার স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জার্মানির সংসদীয় প্রতিনিধিদল। স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্পিকার এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ১৯৩৭ সাল থেকে আমাদের দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও গণতান্ত্রিকভাবে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয় অর্জিত হলেও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র অধরাই রয়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, পরপর তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করার মাধ্যমে এদেশের গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করেছিল।

স্পিকার বলেন, স্বৈরাচারী আমলের গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী। এ দেশের নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তার অবদান অনুসরণীয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এদেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারংবার উৎসর্গ করেছে। তাদের দৃঢ় মনোবল ও সংগ্রামের কারণে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।

জাতীয় সংসদে নারী এমপিদের প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে স্পিকার জানান, বর্তমান সংসদে জনগণের ভোটে ৬ জন নির্বাচিত নারী সংসদ-সদস্য ও ৫০ জন সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ-সদস্য রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই উচ্চ শিক্ষিত ও স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।