উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কমানোর পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি রোধে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকল্প গ্রহণের আগে নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কিছু মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। সেসব প্রকল্পের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রকাশিত দুর্নীতির শ্বেতপত্রের তথ্যও নিরীক্ষা করে দেখছে বর্তমান সরকার। ওই শ্বেতপত্রে উঠে আসা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কাজ চলছে।
তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এর মাধ্যমে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় মূল সঞ্চালন লাইনে আনতে প্রায় সাত বছর সময় লাগবে। একই সঙ্গে ভোলায় কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির আকার বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
তিনি জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতেও সরকার কাজ করছে। ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।
আরও পড়ুন:







