যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং এ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি এ কথা জানান।
শেখ রবিউল আলম বলেন, দুই দেশের স্বার্থে কীভাবে কাজ করা যায় এবং এর মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্পর্ক ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, বৈঠকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিদ্যমান কিছু সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সড়ক-রেল যোগাযোগ ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও জোরদার এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত কাজ করছে। পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বৈঠকে মূলত দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে ঘটানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস আবার চালুর বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।
বৈঠকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালু হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আরও পড়ুন:







