মঙ্গলবার

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

শেখ হাসিনার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫০

শেয়ার

শেখ হাসিনার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ
ছবি সংগৃহীত

সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে আসতে হবে এবং তাকে ধরে দেশে নিয়ে আসতে চাই। তিনি পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, তার আর আপিলের সুযোগ নেই। ফলে টেকনিক্যালি বিষয়টি এমন যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।

ভারত সফরের সঙ্গে প্রত্যর্পণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়টিকে শর্ত হিসেবে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।

সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনা ভারতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ডা. জাহেদ। তিনি বলেন, প্রত্যর্পণের আগ পর্যন্ত শেখ হাসিনা যেন এসব করতে না পারেন, সেটি প্রত্যাশা ছিল এবং থাকবে। ভারতের দিক থেকে বিষয়টি ঠিক হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনার বক্তব্যে বাংলাদেশের মানুষের ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি জোরালো উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা নিজে আসুন বা বাংলাদেশ তাকে নিয়ে আসুক, এখানে কোনো কৌশলের বিষয় নেই।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যে জায়গায় চলে গিয়েছিল, সেটির উন্নতি করতে অন্তত তাৎক্ষণিকভাবে শেখ হাসিনার বক্তব্য বন্ধ রাখার পদক্ষেপ নেওয়া যেত। এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রশ্ন করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. জাহেদ আরও বলেন, ভারতকে জানানো উচিত যে শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশের সংবেদনশীলতা রয়েছে। যখন বাঁধন কিংবা অন্য কেউ হামলার শিকার হচ্ছেন, তখন শেখ হাসিনার গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিরক্তিকর এবং ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভারতের বিষয়টি বোঝা উচিত।