বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নাকি তারেক রহমান—এমন প্রশ্ন তুলে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী। তিনি বলেন, তারেক রহমান কোনো কথা না বলে, সালাহউদ্দিন আহমদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বলবেন, ‘আমি কিছু জানি না’—এটা হতে পারে না।”
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, জুলাই সনদ এবং জুলাইয়ের ঐক্য ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের বিপুল সম্পদ রয়েছে। ফলে সরকারের আয়েরও অভাব নেই। তবে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সুশীল সমাজের একটি অংশ একমত না হলে কোনো বিপ্লবই সফল হতে পারে না।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে বিএনপির একেকটি উপজেলায় একাধিক প্রার্থী হওয়ার খবরও রাজনৈতিক বিভ্রান্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। গণভোট ইস্যুতে আয়োজকদের উদ্যোগের প্রশংসা জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রশ্ন বিচার বিভাগের ওপর চাপিয়ে দেয়া ঠিক নয়।
অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, আমি বিএনপি নিয়ে অনেক আশা করেছিলাম। ২০২৪–পরবর্তী বাংলাদেশে নিজেদের নেতৃত্বে তারা একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারত। কিন্তু বিএনপিকে কে বুঝিয়েছে যে তারা গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
এডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা জুলাই সনদের প্রতেকটি সংস্কার ও এর সুফল দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপি অনেকটা ভিলেন হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। একজন পার্লামেন্টে একাই যেন ক্ষমতা দখল করেছেন। তিনি বার বার বলেন সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তিনি কি খালেদা জিয়ার চেয়েও বড় বিএনপি হয়ে গেছেন?
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বার বার বলতেন সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ৭২ সালের সংবিধান সংশোধন করা যাবে না কিন্তু এই সংবিধান ৭০ সালের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে ভারতীয় সংবিধান থেকে ধার করে করা হয়েছে। ৫ আগস্টের বিপ্লবের পর একটা অলিখিত সংবিধানের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হচ্ছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় পাঠিয়ে একটা অনুমোদন দিল যে নতুন সংবিধান সংস্কার কমিটি করে সংস্কার করতে। কিন্তু একজন ব্যক্তির ইগোর কাছে জনগণের এ রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:







