মঙ্গলবার

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

ক্যামেরায় ধরা পড়বে মহাসড়কের চাঁদাবাজি, পর্যায়ক্রমে অটো ফাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১৮

শেয়ার

ক্যামেরায় ধরা পড়বে মহাসড়কের চাঁদাবাজি, পর্যায়ক্রমে অটো ফাইন
ছবি সংগৃহীত

মহাসড়কে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়ম ক্যামেরার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক ফেডারেশন কিংবা পুলিশের পক্ষ থেকে মহাসড়কে কোনো চাঁদাবাজি হলে তা ক্যামেরায় রেকর্ড থাকবে। এতে চাঁদাবাজির প্রবণতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন এই ব্যবস্থায় মহাসড়কের বিভিন্ন কার্যক্রম ক্যামেরার আওতায় আসবে। ফলে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মের ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়বে।

দেশের সব মহাসড়কে পর্যায়ক্রমে এই ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যবস্থা চালুর পর কিছু ভুল-ত্রুটি ধরা পড়লে সেগুলো সংশোধন করে পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়কে এটি চালু করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এআইভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেমের’ মাধ্যমে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম, অবৈধ পার্কিং, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হবে। পরে সংশ্লিষ্ট গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য পাঠানো হবে।

একাধিকবার জরিমানা হলে গাড়ির নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে নতুন এই ব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মহাসড়কে থ্রি-হুইলার ও নন-মোটরাইজড যানবাহন চলাচলের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই মহাসড়কে নন-মোটরাইজড কোনো যানবাহন বা থ্রি-হুইলার চলতে দেওয়া ঠিক নয়। এই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা হবে।

তবে গ্যাস স্টেশন, বাজার এলাকা, নির্ধারিত স্ট্যান্ড ও ফিডার রোডে যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার জন্য হাইওয়ে পুলিশের প্রধানকে অনুরোধ করেছেন বলেও জানান তিনি।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়কে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। মেঘনাঘাটে স্থাপন করা হয়েছে একটি ডাটা সেন্টার।



banner close
banner close