প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা আপাতত বাতিল করেছে ঢাকা। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।
দিল্লি সফরের অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য দেওয়া দুটি শর্তের মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠানো এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ঘাতকদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ঘাতকদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে।
বাংলাদেশ প্রথম নীতিতে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি অব্যাহত রাখবে।
হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র ভারতের কাছে পাঠিয়েছে। গত জুলাইয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, হাদী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদসহ তিন সন্দেহভাজনের প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হয়েছে। তারা ভারতে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে বিচার চলমান অবস্থাতেও তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের সুযোগ রয়েছে।
এর আগে হাদী হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীরকে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়। বাংলাদেশ তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চায়।
আরও পড়ুন:








