মঙ্গলবার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদারে আইনমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ দুর্নীতির অভিযোগ কী আছে আসিফ মাহমুদের ভাগ্যে? জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে দূরদর্শী ও দিকনির্দেশনামূলক বললেন রাষ্ট্রপতি বিরোধীদলসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহী কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেপ্তার মিরপুরে তিন ভাইয়ের বাহিনী, তিন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণে ব্যয় বাড়ল ৮৪৭ কোটি

ঐক্যবদ্ধ থেকে সংকট মোকাবিলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৫৬

শেয়ার

ঐক্যবদ্ধ থেকে সংকট মোকাবিলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার দেশের প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করে গেছে এবং প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে সমতল এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং এ সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তার ভাষ্য, প্রতি বছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার না হলে দেশের অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হতো। সরকার পর্যায়ক্রমে সমাধানযোগ্য সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, সরকার সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে যেখানে কোনো জাতি বা জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না। সবার অংশগ্রহণে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণেরও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের স্বীকৃতি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির আইনগত মালিকানা নিশ্চিতকরণ, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্প বা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের নামে উচ্ছেদ বন্ধসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা একটি প্রজন্মকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়নের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমান সরকার এসব হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, আগের সরকারের প্রতিষ্ঠিত ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর অনেকগুলো কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়নি।

এ সময় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং কিডনি ডায়ালাইসিস, হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর কর কমানোর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



আরও পড়ুন: