মঙ্গলবার

১৪ জুলাই, ২০২৬ ৩০ আষাঢ়, ১৪৩৩

হাসিনাসহ ২৮৬ জনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি ৩০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৪

শেয়ার

হাসিনাসহ ২৮৬ জনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি ৩০ সেপ্টেম্বর
ছবি সংগৃহীত

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযোগ গঠনের অসমাপ্ত শুনানির জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আরিফ সরকার পাভেল জানান, কারাগারে থাকা কয়েকজন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন মামলার ২৪ জন কারাবন্দি আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও চারজন নারী। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের কাঠগড়ায় তোলা হয় এবং তাদের উপস্থিতিতেই অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়।

এদিকে, মামলার আসামি জামিরুল ইসলাম বাবু আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২ মার্চ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। এর আগে বিশেষ জজ আদালত-৯-এ অভিযোগ গঠনের আংশিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৭ মার্চ সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাসহ প্রয়োজনীয় আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম সভায় শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন। সেখানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই বক্তব্য পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।



banner close
banner close