ভারত সফরে গিয়ে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে রোববার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য আটকে রাখে। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় ভোগান্তির অভিজ্ঞতার কারণে তিনি সফর বাতিল করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, একটি সরকারি বৈঠকে অংশ নিতে প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে ভারতে পৌঁছানোর পর নিয়মিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় জাহেদ উর রহমানের নাম নিরাপত্তাসংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় শনাক্ত হয়। এর পর তাকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয়।
সূত্রগুলোর দাবি, ঘটনাটি মূলত প্রশাসনিক জটিলতা এবং তথ্য হালনাগাদে বিলম্বের কারণে ঘটেছে। জাহেদ উর রহমানের নাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট একটি ব্ল্যাকলিস্ট থেকে আগেই অপসারণ করা হয়েছিল। তবে সেই তথ্য অভিবাসন বিভাগের ওয়াচলিস্টে সময়মতো হালনাগাদ না হওয়ায় তার নাম সেখানে সক্রিয় অবস্থায় থেকে যায়।
ফলে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি হয় এবং তাকে পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হয়। পরবর্তী যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অনুমতি পাওয়ার পরও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে তিনি সফর চালিয়ে না গিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
এ বিষয়ে ভারত বা বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। এছাড়া তার নাম কী কারণে নজরদারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং কেন তা অভিবাসন বিভাগের নথিতে সক্রিয় অবস্থায় ছিল, সে সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী ব্ল্যাকলিস্ট থেকে নাম অপসারণের তথ্য অভিবাসন বিভাগের ডাটাবেজে যথাসময়ে প্রতিফলিত না হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন:








