রবিবার

১৪ জুন, ২০২৬ ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬ ০৯:২৩

শেয়ার

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ
ছবি সংগৃহীত

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ আজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই সাক্ষীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত ৩ জুন তার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পর তা পিছিয়ে ১৪ জুন নির্ধারণ করা হয়।

এ মামলায় এরই মধ্যে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়।

মামলার ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১০ জন গ্রেপ্তার অবস্থায় ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। তারা হলেন র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

অন্যদিকে মামলার বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশিদ হোসেন, ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং সাবেক পরিচালক মো. খায়রুল ইসলাম।

মামলাটি র‍্যাবের টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজনীয় আদেশ দেবেন।



banner close
banner close