বৃহস্পতিবার

১১ জুন, ২০২৬ ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আ. লীগ নেতাকর্মীদের নির্বাচনের সুযোগ রেখে আচরণ বিধি খসড়া চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ জুন, ২০২৬ ০৭:৫৬

আপডেট: ১১ জুন, ২০২৬ ০৮:০০

শেয়ার

আ. লীগ নেতাকর্মীদের নির্বাচনের সুযোগ রেখে আচরণ বিধি খসড়া চূড়ান্ত
ফাইল ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ সীমিত করার প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করতে গিয়ে প্রার্থীদের জন্য অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরের প্রস্তাব বাদ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের জন্য পাঠিয়েছে ইসি। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এ বিষয়ে মতামত দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ সীমিত করতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও আচরণ বিধিমালায় সংশোধন আনা হয়েছিল। সেখানে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরের বিধান যুক্ত করা হয়।

একই ধরনের বিধান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসির কর্মকর্তারা। তবে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর কমিশন সেই উদ্যোগ থেকে সরে আসে। ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আর কোনো অতিরিক্ত বিধিনিষেধ থাকছে না।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণেই আচরণ বিধিমালায় রাজনৈতিক অঙ্গীকারনামার শর্ত রাখা হয়নি।

খসড়া আচরণ বিধিমালায় নির্বাচনী প্রচারে বেশ কয়েকটি পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া ক্যারাভ্যান বা ভ্রাম্যমাণ যানবাহনের মাধ্যমে প্রচারণাও চালানো যাবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বা প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।



banner close
banner close