অতীতের ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনে সেনাবাহিনীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১০ জুন) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।,
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ আমাদের সবার। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে নিজেদের স্বমহিমায় গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।,
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে শহীদ ও আহত সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা জানিয়ে তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদ হওয়া ১৭৫ জন সদস্য এবং আহতদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের প্রতি আমি গভীর সমবেদনা জানাই। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনাদের অবদানের জন্য জাতি কৃতজ্ঞ।,
নারী শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নারী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।,
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের একজন মেজর স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীকে ঘিরে অপতৎপরতা ও ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা হয়েছে। ২০০৯ সালের ঘটনাপ্রবাহের পরিণতি আমরা সবাই জানি।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন নতুন ক্ষেত্র গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকার এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব আরও বাড়াতে হবে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
আরও পড়ুন:








