শুক্রবার

২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
এয়ার এশিয়ার সরাসরি ফ্লাইটে পেনাংয়ের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার ৮০ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার সুযোগ দেয়া হবে না: মীর শাহে আলম পুলিশ হেফাজত থেকে আ. লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় আসামি আবু সিদ্দীকসহ গ্রেপ্তার ৯ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড ফারহান-ইমনের গোলেও ইন্দোনেশিয়ার কাছে বড় হার বাংলাদেশের ফেনীর তিন উপজেলায় দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন চাকরির নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারও প্রতি বৈষম্য করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাড়ির টানে কমলাপুরে ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২৬ ১১:১৭

শেয়ার

নাড়ির টানে কমলাপুরে ভিড়
ছবি সংগৃহীত

ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। নগরজীবনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তি পেছনে ফেলে দেশের বিভিন্ন জেলায় ফিরছেন যাত্রীরা। সকাল থেকেই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও আশপাশের এলাকায় যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়, কোলাহল ও ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে।

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন–এ সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রেন ধরার জন্য নানা বয়সী মানুষ দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছেন। কারও হাতে বড় ব্যাগ, কারও কোলে শিশু, কেউ আবার পরিবার নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্ল্যাটফর্মজুড়ে ট্রেনের হুইসেল, যাত্রীদের ডাকাডাকি আর স্বজনদের বিদায়ের আবেগে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়।

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরা যাত্রী মোহাম্মদ আল-আমিন জানান, সারা বছর কর্মব্যস্ততার কারণে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো হয় না। ঈদের এই সময়টুকুই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের।

একই প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষমাণ শারমিন আক্তার বলেন, সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার আনন্দই আলাদা। গ্রামের খোলা পরিবেশ ও আত্মীয়দের সঙ্গে সময় কাটানোই ঈদের মূল আকর্ষণ।

বেসরকারি চাকরিজীবী রেজাউল করিম জানান, টিকিট পেতে কিছুটা ভোগান্তি হলেও ট্রেনে যাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। সড়কের যানজটের ঝুঁকি না থাকায় তিনি ট্রেনকেই বেছে নিয়েছেন।

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী কলেজ শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ঈদের সময় গ্রামের বাড়িতে গেলে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর আলাদা প্রশান্তি পাওয়া যায়।

স্টেশনে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় রেলওয়ে পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন। টিকিট যাচাই থেকে শুরু করে প্ল্যাটফর্ম ব্যবস্থাপনায় তাদের তৎপরতা দেখা গেছে।

তবে যাত্রীদের একটি অংশ অনলাইনে টিকিট না পাওয়া এবং শেষ মুহূর্তে টিকিট সংকট নিয়ে ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তবুও ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দে তারা আপস করছেন না।

সব মিলিয়ে ঈদের আগে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিণত হয়েছে ঘরমুখো মানুষের আবেগ, অপেক্ষা আর বাড়ি ফেরার আনন্দের এক বড় সমাবেশস্থলে।