বুধবার

১৩ মে, ২০২৬ ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

খায়রুল হকের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬ ১৮:৫৭

শেয়ার

খায়রুল হকের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
ছবি সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক–এর জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। বুধবার (১৩ মে) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) হাইকোর্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানায় দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন। পরে তার আইনজীবীরা জানান, বর্তমানে দায়ের হওয়া সব মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে দ্রুতই আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার এ জামিন আদেশ দেন। শুনানিতে খায়রুল হকের পক্ষে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু এবং অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগ যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার–সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে ওই আদেশ দেন।

গত ৮ মার্চ হাইকোর্ট চার মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলাতেও তিনি জামিন পান। এসব জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর নতুন করে যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলা। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার–সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে শাহবাগ ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের মে মাসে অবসরের পর তিনি বাংলাদেশ আইন কমিশন–এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।



banner close
banner close