রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নতুন চারটি থানা এবং একাধিক পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান ফাঁড়িগুলো পুনর্বিন্যাস করে অপরাধপ্রবণ ও জনবহুল এলাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর খিলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার এ তথ্য জানান।
থানা স্থাপনের অগ্রগতি
ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, নতুন চারটি থানার মধ্যে একটির প্রস্তাব ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনটি থানা স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নতুন ফাঁড়ি ও ক্যাম্প স্থাপন
ডিএমপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নতুন পুলিশ স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। কারওয়ান বাজার এলাকায় একটি পুলিশ ক্যাম্প ইতোমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য চাঁদাবাজি ও সংঘটিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ।
এ ছাড়া মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ হাউজিং এলাকায় জায়গা নিশ্চিত হলে দ্রুত আরেকটি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। বাড্ডা থানার অন্তর্গত দূরবর্তী বেরাইদ এলাকায় এবং গেন্ডারিয়া ও ওয়ারীর ঘুমটিগড় এলাকায়ও নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।
ফাঁড়ি পুনর্বিন্যাস
ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, বর্তমানে যেসব অনুমোদিত ফাঁড়ি কম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে, সেগুলো সরিয়ে জনবহুল ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুনঃস্থাপন করা হচ্ছে। খিলক্ষেত ফাঁড়ি উদ্বোধন সেই পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমেরই অংশ।
লক্ষ্য ও অঙ্গীকার
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, গত দেড় দশকে পুলিশ বাহিনীর প্রতি প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে জনসেবাকে কেন্দ্রে রেখে কাজ করছে পুলিশ। দলমত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন:








