বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন। আগামী ৪ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত লাহোর-এ অবস্থিত সিভিল সার্ভিসেস একাডেমি-তে ‘এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি সরকারি আদেশ জারি করেছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে আদেশটি জারি করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ।
প্রশিক্ষণে অংশ নিতে মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত সচিব ও ১১ জন যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা। তারা হলেন— সালমা সিদ্দিকা মাহতাব (অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ), মো. মোস্তফা জামাল হায়দার (মহাপরিচালক/যুগ্ম সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়), মো. আবু রায়হান মিয়া (যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মো. ফিরোজ আহমেদ (যুগ্ম সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ), মো. তৌফিক ইমাম (যুগ্ম সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ), মো. তৌফিক ইমাম (যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মো. রায়হান আখতার (যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), এ.এফ.এম. এহতেশামুল হক (যুগ্ম সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), মো. শামসুল হক (যুগ্ম সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ), মো. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম (যুগ্ম সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), ড. মো. জিল্লুর রহমান (যুগ্ম সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়) এবং জিয়া আহমেদ সুমন (এমডিএস/যুগ্ম সচিব, বিসিএস প্রশাসন একাডেমি)।
সরকারি আদেশে সফরের জন্য কয়েকটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় বহন করবে পাকিস্তান সরকার; এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের কোনো আর্থিক দায়ভার থাকবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্থানীয় মুদ্রায় নিয়মিত বেতন-ভাতাদি গ্রহণ করবেন এবং সফরকাল ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য হবে।
এছাড়া প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে পাঁচ দিনের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ শাখায় প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। অনুমোদিত সময়ের বাইরে কেউ পাকিস্তানে অবস্থান করতে পারবেন না এবং ফিরে এসে দ্রুত নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








