পিলখানায় ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলার আট আসামি—সাবেক বিডিআর সদস্য—জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের হাই সিকিউরিটি ইউনিটে থাকা একজন এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এ থাকা সাতজন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার কারাগার থেকে একজন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন এবং বাকিরা অন্য ইউনিট থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বিস্ফোরক মামলার আসামিদের জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়। অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় সংশ্লিষ্ট আট বন্দিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তির সময় কারাফটকে তাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, যাচাই-বাছাই শেষে শুক্রবার সকালে একজন এবং বিকালে আরও ছয়জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যা মামলার বিচার ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর শেষ হয়, যেখানে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:








