প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী গুজব না ছড়ানো এবং তথ্য যাচাই করে সংবাদ পরিবেশনের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনুরোধ করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজবের বিষয়ে মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই নজর রাখছে এবং এ নিয়ে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, তথ্যের উৎস যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক তথ্য যাচাই না করেই কিছু ক্ষেত্রে সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে, যা পরবর্তীতে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
মন্ত্রী আরও জানান, কিছু টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তবে এসব তথ্যের সবই সত্য নয়। এ ধরনের তথ্য যাচাই ছাড়া প্রচার না করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমান প্রবণতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি এখন দ্রুত প্রতিক্রিয়ার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে, যেখানে অনেক সময় যাচাই ছাড়াই মন্তব্য ও শেয়ার করা হয়। এই প্রবণতাকে তিনি ‘ইনস্ট্যান্ট কফি’র সঙ্গে তুলনা করে বলেন, তথ্য গ্রহণ ও প্রচারে ধৈর্য ও যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা। এ লক্ষ্যে সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মিলেই এ ধরনের বিভ্রান্তি কমানো সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:








