জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার নাম বাতিল করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান আজ জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, অমুক্তিযোদ্ধা শনাক্তকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, অনেক ব্যক্তি ভুয়া তথ্য দিয়ে ভারতীয় তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের নাম বাতিলের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। এ সুপারিশ মুক্তিযোদ্ধা গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
জামুকার উপকমিটি অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত ও শুনানি পরিচালনা করে। কোনো ব্যক্তি অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তার সনদ ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়। রংপুর-৪সহ দেশের যেকোনো এলাকায় একই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালিকা আরও স্বচ্ছ করার কাজ চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর ধাপে ধাপে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর বড় অংশ ভারতীয় তালিকার অপব্যবহারকারী। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন:








