গত মার্চ মাসে নতুন করে ২ হাজার ৫৩৩ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটির সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নতুন আগত নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৮৯ জনে। এর মধ্যে মার্চ মাসেই ২ হাজার ৫৩৩ জন নতুনভাবে নিবন্ধিত হয়েছেন। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে মোট ১১ লাখ ৮৯ হাজার ২১৩ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন।
ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৪ সাল থেকে রাখাইন রাজ্য-এ চলমান সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে রোহিঙ্গাদের নতুন করে বাস্তুচ্যুতি অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতার মুখে তারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে।
৩১ মার্চ পর্যন্ত সংস্থাটি মোট ১০ লাখ ৪২ হাজার ২২৪ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে, যারা ১৯৯০ ও ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এসেছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৫৯০ জন ১৯৯০ সালের পর এবং ১০ লাখ ২ হাজার ৬৩৪ জন ২০১৭ সালের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যে সংঘাত বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থী প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের শেষ দিকে শরণার্থী শিবিরগুলোতে নতুন আগতদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে তাদের বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই প্রবাহ শরণার্থী শিবিরগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
আরও পড়ুন:








