বাংলাদেশ সরকার রাশিয়া থেকে ছয় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমতি পেতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে চিঠি দিয়েছে। গত সোমবার সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছে গত ঈদুল ফিতরের পরের দিন এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে ঈদের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়া থেকে অন্তত ছয় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের অনুরোধ জানানো হয়। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বর্তমানে চিঠির জবাবের অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।
ভারতের সঙ্গেও জ্বালানি তেল আমদানিতে চুক্তি রয়েছে বলে জানান যুগ্ম সচিব। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগে ভারত থেকে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পাওয়া গিয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬০ হাজার মেট্রিক টন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও প্রথম দিকে সরবরাহ কম ছিল। পরে জ্বালানি বিভাগের মন্ত্রী ও সচিবের চিঠি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের আলোচনার পর তা নিয়মিত হয়। এ পর্যন্ত ভারত থেকে পাঁচ হাজার ও সাত হাজার মেট্রিক টনের পৃথক পার্সেলে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাওয়া গেছে।
পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টনের দুটি কার্গো ডিজেল পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, অ্যাঙ্গোলা, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও জ্বালানি তেল আমদানিতে আলোচনা চলছে। অ্যাঙ্গোলা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে একটি করে এলএনজি পাওয়ার আশ্বাসও মিলেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
আরও পড়ুন:








