রবিবার

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

ওয়ান-ইলেভেনের দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেফতার, জিজ্ঞাসাবাদে নাম প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ মার্চ, ২০২৬ ২১:৪৪

শেয়ার

ওয়ান-ইলেভেনের দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেফতার, জিজ্ঞাসাবাদে নাম প্রকাশ
ছবি সংগৃহীত

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওয়ান-ইলেভেনের সময়কার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সূত্র ধরে গত মার্চ মাসে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) মামুন খালেদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জিজ্ঞাসাবাদে ওই সময়ের আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে।

২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করে ডিবি। পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের হেফাজত দেয় আদালত। তার জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে ২৫ মার্চ মিরপুর এলাকা থেকে মামুন খালেদকে গ্রেফতার করা হয়। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকা ও ফেনীতে ১১টি মামলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

প্রথম দফায় জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ, মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) চৌধুরী ফজলুল বারী ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দারসহ অনেকের নাম উল্লেখ করেন। তার দাবি, এই কর্মকর্তারা তথাকথিত মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়ন ও কিংস পার্টি গঠনে কাজ করেছেন এবং এর মূল হোতা ছিলেন এটিএম আমিন।

মামুন খালেদকে গ্রেফতারের পর আদালতে রিমান্ড শুনানিতে তিনি জানান, ২০০৭ সালে তিনি ডিজিএফআইয়ের ফোর্সেস সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে যোগদান করেন এবং সেদিনকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মামলাগুলোর জামিনের ক্ষেত্রে তিনি সরাসরি বিচারকের কাছে টেলিফোন করতেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যেসব মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানবপাচার ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ। ওয়ান-ইলেভেনের কোনো ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে সেটিও তদন্ত করে দেখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।



banner close
banner close