রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১১ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ রয়েছেন। দীর্ঘ প্রায় ৭ ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টার পর দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাসটিতে মোট কতজন যাত্রী ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলাকালে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে এবং আরও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে রাত পৌনে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পানির নিচে থাকা বাসটির সামনের অংশ শনাক্ত করে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এরপর বাসটির ভেতর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জানান, উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবুরি দল ও বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৫০ জন যাত্রীসহ পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বাসটি গভীর পানিতে তলিয়ে গেলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন:








