বুধবার

৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মালয়েশিয়ায় মানব পাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পার্টনার যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০২

শেয়ার

মালয়েশিয়ায় মানব পাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পার্টনার যারা
ছবি সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মানবপাচার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলাটি মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি ঘিরে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেটের কার্যক্রমের তদন্ত সংশ্লিষ্ট। ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় আফিয়া ওভারসিজের মালিক আলতাফ খান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে সাবেক প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ১০৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণের নামে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট মানবপাচার, চাঁদাবাজি ও অর্থ পাচারে জড়িত ছিল।

এর আগে মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পরবর্তীতে বাদী আদালতে নারাজি দিলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির পুনঃতদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) নির্দেশ দেন। গতবছর ৩০ অক্টোবর ও ২ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

বাদী আলতাফ খান অভিযোগ করেন, আসামিদের প্রভাবে সিআইডি পক্ষপাতমূলক প্রতিবেদন তৈরি করেছিল। পরে আদালত সে প্রতিবেদন বাতিল করে ডিবিকে তদন্তের ভার দেয়।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের রুহুল আমীন (স্বপন), আহমেদ ইন্টারন্যাশনালের বেনজীর আহমেদ, সিংঙা ওভারসিজ লিমিটেডের নিজাম হাজারি, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনালের নাফিসা কামাল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও পরিচালকরা।

এদিকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত দুজন ব্যবসায়ী—আমিনুল ইসলাম আবদুন নুর ও রুহুল আমীন স্বপনকে আটকের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের বাংলাদেশ শাখা এ সংক্রান্ত চিঠি প্রেরণ করে। সরকার পতনের পর রুহুল আমীন স্বপন দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এ মামলার তদন্তভার পেয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।



আরও পড়ুন: