অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম ২০০৭-২০০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা দখলকারীদের বিচার দাবি করেছেন। ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা জেনারেল মাসুদের গ্রেপ্তারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন এবং এক-এগারো'র ঘটনার মূল স্থপতিদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানান।
শফিকুল আলম বলেন, এক-এগারো'র ক্ষমতা দখল একটি অবৈধ ঘটনা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত একটি সরকার হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ২০০৭ সালের কাস্টোডিয়াল নির্যাতন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আসন কারচুপি, ব্যালট ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং শেখ হাসিনাকে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেওয়ার জন্য করা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। শফিকুল আলমের মতে, এই ঘটনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ ছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি রাজনীতিবিদদের এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করে তা সংবাদপত্রে প্রকাশ করত, যা সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। শফিকুল আলম বলেন, এক-এগারো'র পর থেকে গুমের ঘটনা মারাত্মক আকার ধারণ করে, যা শেখ হাসিনার শাসনামলে আরো বৃদ্ধি পায়। তিনি ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি মঈন উদ্দীন-ফখরুদ্দীন সরকারের প্রতিষ্ঠার পেছনের ষড়যন্ত্র উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:








