শনিবার

১৪ মার্চ, ২০২৬ ৩০ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বশেষ
ইরানের হুমকির মুখে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ব্যাংক শাখা খালি মির্জা আব্বাসকে রোববারে সিঙ্গাপুরে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে ফ্যামিলি কার্ডের নামে চেকবই চুরির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে উত্তরাঞ্চলে নতুন সড়ক স্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হওয়ার সম্ভাবনা ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ৪৩ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের হুমকির মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর এলাকা খালির আহ্বান ঝালকাঠিতে নৌ কর্মকর্তা’র প্রাইভেট কার খাদে, দেড় বছরের শিশু নিহত নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় আটকে গেল সাবেক প্রধান বিচারপতির মুক্তি

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় আটকে গেল সাবেক প্রধান বিচারপতির মুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯

আপডেট: ১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৬

শেয়ার

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় আটকে গেল সাবেক প্রধান বিচারপতির মুক্তি
ছবি সংগৃহীত

পাঁচ মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির আগে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নতুন একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে এক মাদ্রাসাছাত্র হত্যার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এর ফলে ঈদের আগে তার মুক্তি আটকে গেছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক আগামী ৩০ মার্চ আসামির উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় কারাগারে কাস্টরি ওয়ারেন্ট পাঠানো হয়েছে। শুনানির দিন পর্যন্ত তাকে কারাগারে থাকতে হবে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ১৯ জুলাই সকালে যাত্রাবাড়ির কুতুবখালী এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে লর্ড হার্ডিঞ্জ ফাযিল মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র আরিফ নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. ইউসুফ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ি থানায় মামলা করেন। আসামিদের তালিকায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের নামও রয়েছে।

এর আগে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা পৃথক চার মামলাসহ পাঁচ মামলায় গত ৮ মার্চ হাই কোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ খায়রুল হককে জামিন দেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ায় তিনি এসব মামলায় হাই কোর্টে পৃথক পাঁচটি জামিন আবেদন করেছিলেন। ২০২৫ সালের ২৬ অক্টেম্বর জামিন প্রশ্নে রুল দেওয়ার পর সম্প্রতি এসব আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।

উল্লেখ্য, খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলু্তির রায় দেয়।



banner close
banner close