রাজধানীর মার্কেটগুলোতে নতুন পণ্যের পসরা। ক্রেতাও রয়েছে বেশ। জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। এর ফলে বাজারে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়। আর এই চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় ঢাকার নিউ সুপার মার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা, নূরজাহান সুপার মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টারসহ নানা মার্কেটে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, এবার ঈদ ঘিরে নারীর পোশাকে এসেছে নানা বৈচিত্র । ফারসি সালোয়ার কামিজ, পাকিস্তান-ভারতীয় নকশা ও প্যাটার্নের নানা পোশাক, কুর্তি-সিঙ্গেল কামিজ, টু-পিস, সারারা, ঘারারার দেখা মিলেছে গাউছিয়ার দোকানে দোকানে।
ঈদের দুই সপ্তাহ আগেই ক্রেতার পকেট কাটতে পোলাওর চাল কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সরবরাহ থাকলেও এক দিনের ব্যবধানে ৫০-৬০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। সঙ্গে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা বেড়ে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা। পাশাপাশি দুধ, চিনি, সেমাই ও কিসমিস বাড়তি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সঙ্গে মসলা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে বরাবরের মতো এবারও ঈদ ঘিরে পণ্য কিনতে বাজারে ঠকছেন ভোক্তা।
শুক্রবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রোজা ও ঈদ ঘিরে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বিকভাবে বাজারে তদারকি অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবারও রাজধানীতে ৬টি টিম বাজারে তদারকি করেছে। প্রত্যেকটি বিভাগীয় অফিস থেকেও কর্মকর্তারা বাজারে কঠোরভাবে তদারকি করছেন। অনিয়ম পেলেই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








