দেশের স্কুল ও কলেজগুলোর মানোন্নয়ন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য র্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও ফলাফলের মতো সুনির্দিষ্ট কিছু সূচকের ভিত্তিতে এই র্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানান শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সভায় মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালু করেছিলেন। একই সাথে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অডিট ব্যবস্থারও সূচনা করেন, যা শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার একটি শক্ত ভিত তৈরি করেছিল।
শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব হলো তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কর্মকর্তাদের অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী সরকারি দপ্তরগুলোকে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কর্মকর্তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হতে হবে এবং অফিসিয়াল কার্যক্রমে গাড়ি শেয়ারিং করতে হবে। এছাড়া এসি (এয়ার কন্ডিশনার) ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন:








