মাসুদ মালয়েশিয়ায় থাকাকালে হামাস, তালেবান এবং আল-কায়েদার বিভিন্ন ভিডিও ফেইসবুকে পোস্ট করায় জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে সে দেশের পুলিশ তাকে আটক করে।
জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো মাসুদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড পাঠিয়েছে আদালত।
পুলিশ আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা বৃহস্পতিবার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিমানবন্দর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম এদিন মাসুদুর রহমানকে আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, মাসুদ মালয়েশিয়ায় থাকাকালে হামাস, তালেবান এবং আল-কায়েদার বিভিন্ন ভিডিও ফেইসবুকে পোস্ট করায় জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে সে দেশের পুলিশ তাকে আটক করে।
মালয়েশিয়ায় পুলিশ তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় এবং বুধবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে হস্তান্তর করে।
এরপর বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ মালয়েশিয়ায় থাকাকালে হামাস, তালেবান এবং আল-কায়েদার মত সংগঠনের ভিডিও ফেইসবুকে পোস্ট করার কথা বলেন।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়, “এ আসামি জানায়, যে কোনো সময় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা বিদ্যমান। বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া গিয়ে ধর্তব্য অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় মালয়েশিয়া পুলিশ তাকে আটক করে। মালয়েশিয়ার আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা শেষে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।”
মাসুদের বিষয়ে তদন্তের জন্য তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানোর কথা তুলে ধরে আবেদনে বলা হয়, “এ আসামি বাংলাদেশের কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সাথে জড়িত কিনা, কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে নিষিদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন কিনা এবং জঙ্গি কার্যক্রমের অর্থের যোগানদাতা কে বা কারা তা জানা, বাংলাদেশে তাদের অস্তিত্ব আছে কিনা এবং আন্তর্জাতিক নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সাথে জড়িত আছে কিনা তা জানার জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের প্রয়োজন।”
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তবে মাসুদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না।
শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়।
আরও পড়ুন:








