ঈদের চেয়েও মনে হচ্ছে অনেক বেশি ভিড়। পরিববারের তিনজনকে নিয়ে সেই সকালে বের হয়েছি। পাঁচ ঘণ্টার মতো সায়দাবাদ-যাত্রাবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ির একটা টিকেট সংগ্রহ করতে পারিনি। তাই এখন লঞ্চে করে বাড়ি যাবো। জীবনে কখনো ভোট দিতে পারিনি তাই এবার এতো কষ্ট হলেও বাড়ি গিয়ে ভোট দেবো। এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কী আছে।
সন্ধ্যায় রাজধানীর সদরঘাটে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন সোহেল আহমেদ নামে এক তরুণ।
সোহেল যাবেন পটুয়াখালী। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সবজি বিক্রি করেন তিনি। স্ত্রী ও মাকে নিয়ে সকাল ৯টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়ে সারাদিন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করেও অতিরিক্ত ভাড়া ও গাড়ি সংকটে বাড়ি যেতে পারেননি তিনি। তাই বিকল্প পথে লঞ্চে করে সারাদিনের ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই জীবনের প্রথম ভোট।
সংক্ষিপ্ত আলাপে সোহেল জানান, ২০১১ সালে ভোটার হয়েছেন তিনি, কিন্তু কখনও ভোট দিতে পারেননি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভোট দিতে গেলেও তাকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। পরে আর কখনো ভোট দিতে যাননি তিনি।
সোহেল বলেন, কিন্তু এবার মনে হচ্ছে নিজের ভোটটা নিজে দিতে পারবো। তাই শতকষ্টের পরও বাড়িতে যাচ্ছি ভোট দিতে। এখন শান্তি মতো ভোট দিতে পারলেই এই কষ্ট আর কষ্ট মনে হবে না।
আরও পড়ুন:








