চাচাকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ জামিন বাতিল করে এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে দুদকের প্রসিকিউটর জানান, আসামি কামাল হোসেন গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন আবেদন করেন। ওইদিন আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সাপেক্ষে জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন। তবে আসামি দুইবার শর্ত পালন না করায় জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়– আসামি মো. কামাল হোসেনের প্রকৃত জন্মদাতা বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তিনি আপন চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজান। এই জালিয়াতির মাধ্যমেই তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান। পরে দুদকের অনুসন্ধানে বিষয়টি ধরা পড়ে।
আরও পড়ুন:








