পঞ্চগড়-১ (সদর–তেঁতুলিয়া–আটোয়ারী) আসনের প্রার্থী সরজিস আলমের জমা দেওয়া নথিপত্রে আয়ের তথ্যে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।
মঙ্গলবার বিকেলে তিনি বলেন, সরজিস আলমের হলফনামায় বস্তুনিষ্ঠ ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সরজিস আলম হলফনামায় বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা, তবে ২০২৫–২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্নে তার আয় উল্লেখ রয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামার তুলনায় তিন গুণেরও বেশি। আয়ের এই ভিন্ন তথ্য হলফনামাতেই উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পদের ক্ষেত্রেও অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। আয়কর রিটার্নে তার সম্পদের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা উল্লেখ থাকলেও হলফনামায় দেখানো হয়েছে অনেক কম। হলফনামা অনুযায়ী তার অস্থাবর সম্পদ ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মধ্যে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ কৃষিজমি, যার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ টাকা।
তিনি ২০২৫–২৬ করবর্ষে ৫২ হাজার ৫০০ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন।
নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবে সরজিস আলম উল্লেখ করেছেন, চারজন শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা উপহার এবং একজনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া আত্মীয়দের কাছ থেকেও উপহার ও ঋণ পাওয়ার তথ্য রয়েছে, তবে কিছু অঙ্ক স্ক্যান কপিতে অস্পষ্ট।
আরও পড়ুন:








