প্রাণীসম্পদ খাতকে আরও উন্নত করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, খাতটির উন্নয়নে গবেষকরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। তাছাড়াও দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে খামারিদের বিশেষ করে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বুধবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।
অনুষ্ঠানে গবাদিপশু পালন, পোল্ট্রি খামার, প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদন, প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, প্রান্তিক খামারি এবং নারী ক্যাটাগরিতে মোট ১৫ জনকে নগদ অর্থসহ ব্রোঞ্জ, রৌপ্য ও স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, এই খাতের উন্নয়নে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পশু পালন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা হিসেবে কাজ করছে এবং এ খাত অর্থনীতিতে শক্তি যুগিয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।
গবাদি পশু পালনের ক্ষেত্রে পশুদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ না করার আহবান জানিয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা গবাদি পশু পালনের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করেছি। এ খাত অর্থনীতিতে শক্তি যুগিয়েছে। এ খাত আরও উন্নত করতে উদ্যোক্তাদের স্বাস্থ্যসম্মত পশু খাদ্য সরবরাহ ও টিকাদানে সহায়তা করতে হবে।
মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী-পুরুষ উভয়ে মিলে দেশিও সম্পদ গবাদি পশু পালনের মাধ্যমে তারা স্বাবলম্বী হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, দেশে বিভিন্ন প্রজাতির গবাদিপশু পালন করা হচ্ছে। দেশীয় উদ্যোক্তারাও এ ক্ষেত্রে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এতে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:








